বোধবৃক্ষের জানালায় বসে থাকে শীতের সকাল
বসন্তের শেষ বিকেলে যে কোকিলটি
বুড়ো শালিকের বাসায় ডিম দিয়ে যায়
আমরা তাকে আপাদমস্তক চিনে ফেলি
হারানো নুনের পটলাসহ
মনে মনে পড়ে নিই তাকে এবং
তার নখ-দন্ত ও সাগর সঙ্গমের
সমস্ত জীবন পাঠ।
মাঝে মধ্যেই আমি এবং আমরা
সকলেই সকলের অজান্তে
এ্যাডওয়ার্ড মোড়ের হাঁ-মুখো
বাক্সে পরিণত হই।
আমাদের পাছায় ঝুলানো,
সাইন বোর্ডে লিখে নেই─
"আমাকে ব্যবহার করুন"
সমুদ্র সম্পদ
ওহে ঋতুবতী মেঘ
জানি না তোমার বুকপকেটে
কতটুকু আর্দ্রতা লুকিয়ে থাকে;
কতটা শূন্যতা নিয়ে পারি দাও
আশ্বিনযাত্রার অকুল পাথার
তবু,
তোমারই তত্বাবধানে রেখে যাই─
জোয়ারভাটার জোছনা স্নানে
তুলে আনা কমল টানে
এক জনমের অনেক প্রেমের অর্জিত সব─
সৃষ্টি প্রিয় খুব যতনের
সমুদ্র সম্পদ।
নিশিগন্ধা
তোমার ঐ ঘুমঘরের আলোমসৃণতার সুগন্ধে
মোহিত থাকুক রাস্তায় জেগে থাকা জীবিত
গাছগুলোর ছায়া। তারাদের সংরক্ষিত
বোধের বাগানে উপচে উঠুক অজস্র কর্মবিরতির ঘ্রাণ।
তোমাকে আমি নিশিগন্ধা বলেই ডাকব; কেননা─
তোমার কথা মনে পড়লেই আমার ভিষণ...
আনারস খেতে ইচ্ছে করে!
পাখি-পাখি-প্রেম
পৈত্রিক সূত্রের উত্তরাধিকারী হিসেবে
আমাকে একদিন একটি পাখি পুষতে দেওয়া হলো।
বাবা বলেছিলেন, যত্ন করে রাখতে।
সেই থেকেই, পাখি পরিচর্চায় নিয়োজিত হলাম।
পাখি প্রেম আমাকে উদ্দ্যেলিত করলো; উত্তফুলিত করলো।
স্বপ্ন-ভোজী আমার...
মটরদানা খায় না জেনে,
তাকে স্বপ্নমাখা গল্প
খাওয়াতে থাকলাম প্রতিদিন।
০২.
গল্প খাওয়াতে খাওয়াতে এক সময়─
আমার বোধে স্বপ্নসংকট অনুভব করলাম!
হায়! কী উপায়, কী উপায়!!
ক্ষুধার্ত পাখিটি আমার
আহার পেলো না দীর্ঘ দিন।
খেতে না পেয়ে, সুবর্ণ পাখিটি শকুনে পরিনত হলো।
তার ঠোঁট লম্বা হতে-হতে নেমে এলো হাটু বরাবর।
শুরু করে দিলো মহাতান্ডব।
পাখিটির লম্বা এবং ধারালো সেই ঠোঁট দিয়ে ঠোকরাতে লাগলো─
আমার মাথায় ও মগজে; টোকরালো আমার বুকে ও পাঁজরে।
০৩.
স্বপ্ন সংকটে উপায়শূন্য আমি; এক সময় বাবাকে ডাকলাম।
জানতে চাইলাম পরবর্তী উপায়-অন্ত বিস্তারিত...
বাবা পাখিটাকে আকাশ দেখানোর উপদেশ দিলেন।
আমি আকাশ দেখালাম।
দেখালাম আকাশের সেই অংশ, যেখানে ব্রহ্মের ছড়াছড়ি।
আকাশ দেখে পাখিটি প্রথমে শান্ত হলো।
তারপর উদভ্রান্ত হলো!
বসন্তের শেষ বিকেলে যে কোকিলটি
বুড়ো শালিকের বাসায় ডিম দিয়ে যায়
আমরা তাকে আপাদমস্তক চিনে ফেলি
হারানো নুনের পটলাসহ
মনে মনে পড়ে নিই তাকে এবং
তার নখ-দন্ত ও সাগর সঙ্গমের
সমস্ত জীবন পাঠ।
মাঝে মধ্যেই আমি এবং আমরা
সকলেই সকলের অজান্তে
এ্যাডওয়ার্ড মোড়ের হাঁ-মুখো
বাক্সে পরিণত হই।
আমাদের পাছায় ঝুলানো,
সাইন বোর্ডে লিখে নেই─
"আমাকে ব্যবহার করুন"
সমুদ্র সম্পদ
ওহে ঋতুবতী মেঘ
জানি না তোমার বুকপকেটে
কতটুকু আর্দ্রতা লুকিয়ে থাকে;
কতটা শূন্যতা নিয়ে পারি দাও
আশ্বিনযাত্রার অকুল পাথার
তবু,
তোমারই তত্বাবধানে রেখে যাই─
জোয়ারভাটার জোছনা স্নানে
তুলে আনা কমল টানে
এক জনমের অনেক প্রেমের অর্জিত সব─
সৃষ্টি প্রিয় খুব যতনের
সমুদ্র সম্পদ।
নিশিগন্ধা
তোমার ঐ ঘুমঘরের আলোমসৃণতার সুগন্ধে
মোহিত থাকুক রাস্তায় জেগে থাকা জীবিত
গাছগুলোর ছায়া। তারাদের সংরক্ষিত
বোধের বাগানে উপচে উঠুক অজস্র কর্মবিরতির ঘ্রাণ।
তোমাকে আমি নিশিগন্ধা বলেই ডাকব; কেননা─
তোমার কথা মনে পড়লেই আমার ভিষণ...
আনারস খেতে ইচ্ছে করে!
পাখি-পাখি-প্রেম
পৈত্রিক সূত্রের উত্তরাধিকারী হিসেবে
আমাকে একদিন একটি পাখি পুষতে দেওয়া হলো।
বাবা বলেছিলেন, যত্ন করে রাখতে।
সেই থেকেই, পাখি পরিচর্চায় নিয়োজিত হলাম।
পাখি প্রেম আমাকে উদ্দ্যেলিত করলো; উত্তফুলিত করলো।
স্বপ্ন-ভোজী আমার...
মটরদানা খায় না জেনে,
তাকে স্বপ্নমাখা গল্প
খাওয়াতে থাকলাম প্রতিদিন।
০২.
গল্প খাওয়াতে খাওয়াতে এক সময়─
আমার বোধে স্বপ্নসংকট অনুভব করলাম!
হায়! কী উপায়, কী উপায়!!
ক্ষুধার্ত পাখিটি আমার
আহার পেলো না দীর্ঘ দিন।
খেতে না পেয়ে, সুবর্ণ পাখিটি শকুনে পরিনত হলো।
তার ঠোঁট লম্বা হতে-হতে নেমে এলো হাটু বরাবর।
শুরু করে দিলো মহাতান্ডব।
পাখিটির লম্বা এবং ধারালো সেই ঠোঁট দিয়ে ঠোকরাতে লাগলো─
আমার মাথায় ও মগজে; টোকরালো আমার বুকে ও পাঁজরে।
০৩.
স্বপ্ন সংকটে উপায়শূন্য আমি; এক সময় বাবাকে ডাকলাম।
জানতে চাইলাম পরবর্তী উপায়-অন্ত বিস্তারিত...
বাবা পাখিটাকে আকাশ দেখানোর উপদেশ দিলেন।
আমি আকাশ দেখালাম।
দেখালাম আকাশের সেই অংশ, যেখানে ব্রহ্মের ছড়াছড়ি।
আকাশ দেখে পাখিটি প্রথমে শান্ত হলো।
তারপর উদভ্রান্ত হলো!


0 মন্তব্যসমূহ